The_Mummy
পর্ব- ৩
লেখকঃ Nazmul Hosen
প্রায় ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট পর আমরা ঘটনা স্থলে পৌছালাম। চারদিকটা একটু ভাল করে ঘুরে দেখছি । চারপাশে ঘন নির্জন জঙ্গল। এখানে কোন মানুষজন আসে বলে মনে হচ্ছেনা। জায়গাটা নির্জন বলে হয়ত এখানে ডাকাতরা ঘাটি গড়েছিল। বেচারারা যদি জানত কফিনটা খুললে তাদের জীবন সংশয় হতে পারে, তবে কোন দিন কফিনটা খুলত না। আবার মনে হচ্ছে- দুষ্ট প্রানীর এমনটাই হওয়া উচিত। যদিও একটু আপসোস হচ্ছে হাজার হোক তারা মানুষ ছিল। মিস. মীরা কফিন পরিদর্শন শেষে আমার দিকে কিছুটা এগিয়ে এসে বললেন........
মিস. মীরা- এখানে আমাদের কাজ শেষ, এবার ডা. জনের গবেষনাগারে যাব আমরা।
-ডা. জনের গবেষনাগারে কেন? [ কিছুটা অবাক হয়ে। ]
মিস. মীরা- ভয় পাবেন না। আমি শুধু ১ম এবং ২য় কফিনটা একটু দেখতে চাই।
-ঠিক আছে চলুন।
-
ডা. জনের গবেষনাগারে পৌছানোর পরে............
এতক্ষণ তাপমাত্রা স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু ডা. জনের গবেষনাগারে প্রবেশ করার পর খুব গরম লাগছে। মনে হচ্ছে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে গেছে।
-মিস. মীরা মনে হচ্ছে গবেষনাগারে অস্বাভাবিক কিছু হয়েছে।
মিস. মীরা- আমার মনে হচ্ছে ডা. জন কোন কিছু নিয়ে গবেষনা করছেন। যার কারণে এখানে তাপমাত্রা বেরে গেছে।
-ডা. জনের রুমে প্রবেশ করলে সব কিছু বুঝতে পারব।
ডা. জনের রুমে প্রবেশ করতে যাব ঠিক সেই মূহুর্তে হাওয়ার বেগে কিছু একটা আমাদের ধাক্কা দিয়ে দূরে ছিটকে ফেলে দিল। মীরা পরে গিয়ে প্রচুর আঘাত পেয়েছে হাতে। কিন্তু ডা. জনের রুম থেকে কি এমন দ্রুত গতিতে বেরিয়ে আসল? তবে কি ডা. জনের আবার কোন বিপদ হল? মীরাকে টেনে তুলে ডা. জনের রুমে দ্রুত প্রবেশ করলাম। ডা. জনের রুমে প্রবেশ করে দেখি ডা. জন আহত অবস্থায় মেঝেতে পরে আছে। আমি মিস. মীরার উদ্দেশ্যে বললাম........
-মিস. মীরা আপনি আমার গাড়িটা বাহির থেকে ভিতরে নিয়ে আসুন। ডা. জনকে নিয়ে এখনি হাসপাতালে যেতে হবে।
মিস. মীরা- ঠিক আছে।
-
ডা. জনকে হসপিটাল নিয়ে যাচ্ছি। ডা. জনের অবস্থা খুব আশঙ্কাজনক। শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ কেউ যেন ছুড়ি দিয়ে কেটে চিহ্ন বিচ্ছিহ্ন করে দিয়েছে। পুরো শরীর দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসছে বিরামহীন ভাবে। যদি আর কিছক্ষণ এভাবে চলতে থাকে তবে রক্ত শূন্যতায় ডা. জনের মৃত্যু ঘটবে। যেভাবে হোক ডা. জনকে বাঁচাতে হবে।
কয়েক মিনিটের মধ্যে নিকটস্থ হাসপাতলে ডা. জনকে নিয়ে পৌছালাম। ডা. জনের অবস্থা দেখে ডাক্তাররা কিছুটা ভয় পেয়ে গেলেন। ডাক্তাররা দ্রুত ডা. জনকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেলেন। একজন ডাক্তার আমার সাথে কিছু বলার জন্য এগিয়ে আসলেন।
ডাক্তার- ডা. জনের এমন খারাপ অবস্থা কি করে হল?
-ডা. জনের এমন অবস্থা কিভাবে হল আমি কিছু জানিনা। আমি যখন উনার রুমে কোন একটা কারণে প্রবেশ করি, তখন ডা. জনকে দেখি মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছেন। ডা. জনের এই অবস্থা দেখে যত দ্রুত সম্ভব আমি এখানে নিয়ে আসি।
একজন নার্স এসে আমাদের জানালেন...........
নার্স- ডা. জনের অ নেগেটিভ রক্ত প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের কাছে অ নেগেটিভ রক্ত নেই। আপনারা যত দ্রুত সম্ভব রক্তের ব্যাবস্থা করুন।
-আমার রক্ত অ নেগেটিভ, যত রক্ত লাগে আমার থেকে নিন। আপনারা আমার রক্ত নেওয়ার ব্যাবস্থা করুন।
ডাক্তার- ঠিক আছে, আপনি আমার সাথে আসুন।
ডাক্তার আমার থেকে যতেষ্ট পরিমান রক্ত নিলেন ডা. জনের জন্য। আমার রক্তে যদি ডা. জন বেঁচে যান, তবে নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে করব।
প্রায় ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট ধরে অপারেশন চলার পর, ডাক্তাররা অপারেশন থিয়েটার থেকে বেরিয়ে আসলেন। আমি ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে বললাম......
-ডাক্তার ডা. জনের কি অবস্থা?
ডাক্তার- ডা. জনের বিষয়ে এখন আমরা কিছু বলতে পারছি না। তিনি এখন কোমায় আছেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে জ্ঞান ফিরে আসবে। তবে তিনি যদি কোমা থেকে ফিরে আসতে না পারেন। তবে জানিনা থাকে বাঁচানো সম্ভব হবে কিনা। ডাক্তারের কথাটা শুনে বুকের ভিতরটা কেপে উঠল। ডা. জন আমার অনেক ভাল বন্ধু, সে এভাবে চলে যেতে পারে না। খুব কষ্ট হচ্ছে, মনের অজান্তে দুটি চোখ অশ্রু সিক্ত হয়ে উঠল। এখন ডা. জনের পরিবারকে কোন কিছু জানানো হয়নি। যত দ্রুত সম্ভব তার পরিবারকে দূর্ঘটনার কথা জানাতে হবে। তার আগে মিস মীরাকে অফিসে পৌছে দিয়ে আসতে হবে। মীরার উদ্দেশ্যে বললাম......
-মিস মীরা চলুন আপনাকে অফিসে পৌছে দিয়ে আসি। আপনাকে অফিসে পৌছে দিয়ে আবার মি. জনের বাড়িতে খবরটা জানাতে হবে।
মিস. মীরা- ঠিক আছে চলুন। আমি পরে আবার আগামীকাল এসে ডা. জনকে দেখে যাব।
-ডাক্তার আপনি একটু ডা. জনের খেয়াল রাখবেন। আমি ডা. জনের পরিবারকে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
ডাক্তার- ঠিক আছে।
ডাক্তারকে বিদায় জানিয়ে মিস. মীরাকে নিয়ে অফিসে পৌছলাম। এবার আমাকে যত দ্রুত সম্ভব ডা. জনের পরিবারকে বিষয়টা জানাতে হবে। ডা. জনের যে কোন সময় জ্ঞান ফিরে আসতে পারে। জ্ঞান ফিরে কাছের মানুষদের পাশে পেলে মনের ভয়টা দূর হয়ে যাবে।
-
পরের দিন সকাল বেলা........
কিছুক্ষণ আগে হাসপাতাল থেকে টেলিফোন এসেছিল। একজন ডাক্তার আমাকে জানান কিছুক্ষণ আগে ডা. জনের জ্ঞান ফিরে এসেছে। ডা. জন আমাকে কিছু বলতে চান। আমি যেন খুব দ্রুত হাসপাতালে পৌছাই। হালকা নাস্তা করে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পরলাম হাসপাতালের উদ্দেশ্যে। একবার মনে হয়েছিল মিস. মীরাকে সাথে নিয়ে যাই। আবার ভাবলাম থাক শুধু শুধু মীরাকে এই বিষয়ে জড়িয়ে কাজ নেই। হাসপাতালে পৌছে দেখি ডা. জনের পাশে উনার পরিবারের সদস্যরা দাঁড়িয়ে আছেন। দেখে মনে হচ্ছে ডা. জন এখন মোটামোটি সুস্থ, তবে গতকাল ছিল ঠিক এর বিপরিত অবস্থা। ডা. জন আমাকে দেখে বললেন.......
ডা. জন- এদিকে এসে বসুন মি. নীল। [ ডা. জনের কথা গুলো গলায় আটকে আসছে। মনে হচ্ছে উনার কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। ]
-ডা. জন আপনি এখন কোন কথা বলবেন না। আপনার শরীর এখন পুরোপুরি ভাবে ঠিক হয়নি।
ডা. জন- সবাই একটু বাহিরে যাও, মি. নীলের সাথে আমার কিছু কথা আছে। [ ডা. জন আমার কথায় কান না দিয়ে সবাইকে বাহিরে যেতে বললেন। হয়ত গতকাল কি কি হয়েছিল আমার কাছে বলতে চান। ]
-ডা. জন আমাকে একটু বলবেন গতকাল ঠিক কি হয়েছিল।
ডা. জন- আমি আমার রুমে বসে ২য় কফিন থেকে পাওয়া বইটা পড়ছিলাম। বইটা পড়ে আমি পূর্বে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর অজানা রহস্যময় কিছু বিষয় সম্পর্কে জানতে শুরু করি। বইটার প্রথম ভাগে রাজা রেগুইন রুতেনের পরিচয় লিখা ছিল। রাজা রেগুইন রুতেন ১২৩৩ খ্রিষ্টপূর্বে জন্ম গ্রহন করেন। রাজা রেগুইন রুতেনের পিতার নাম ছিল রাজা মিরাও রুতেন। রাজা রেগুইন রুতেন নিজের নামানুসারে নতুন একটি ধর্ম চালু করেন যার নাম ছিল- রেগুইনাম। প্রজারা রাজা রেগুইন রুতেনের নতুন ধর্ম মেনে না নিলে, প্রজাদের উপর নেমে আসে অমানবিক অত্যাচার। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হল- রাজা রেগুইন রুতেন মাত্র ২২ বছর বয়সে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু বরণ করেন। এর কিছুদিন পর আবার রেগুইন রুতেনের সেনাপতি এবং মন্ত্রির রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু ঘটে। বইটার পরের পৃষ্টা পড়ে আমি চমকে যাই। বইটার পরের পৃষ্টাতে লিখা ছিল- রাজা রেগুইন রুতেন ছিলেন সাপেদের পোষক। যা আমরা পূর্বে সন্ধেহ করেছিলাম। আমি আর জানতে পারি সেনাপতি এবং মন্ত্রির মৃত্যু হয় সাপেদের তীব্র বিষে।
-তার মানে দাঁড়ায় রাজ রেগুইন রুতেনের মৃত্যুর পিছনে সেনাপতি এবং মন্ত্রির বড় হাত ছিল।
ডা. জন- ঠিক বলেছেন মি. নীল।
-কিন্তু আপনার এই অবস্থা কি করে হল?
ডা. জন- আমি যখন পরের পৃষ্টা উল্টাতে বইয়ে হাত দিলাম, ঠিক সেই মূহুর্তে চারপাশ থেকে প্রচুর বেগে গরম বাতাস রুমে প্রবেশ করতে থাকে। বইয়ের পাতা গুলো নিজে থেকে একের পর এক উল্টোতে শুরু করে। রুমের চারপাশ কোয়াশায় ঢেকে যায়। ১ মিটার দূরে কি আছে সেটা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল না। হঠাৎ করে আমার সামনে সাদা কাপড় পেঁচানো বিশ্রি ভয়ংকর মমিটা এসে দাঁড়ায়। মমিটা দেখে ভয়ে আমার প্রান বেরিয়ে যাচ্ছিল। রুম থেকে বাহিরে বের হওয়ার জন্য দৌড় দিলাম, কিন্তু মমিটা আমাকে বাহিরে যেতে দিল না। তার হাত দিয়ে আমাকে আঘাত করে মেঝেতে পেলে দিল। তার পর আমার আর কিছু মনে নেই, চোখের সামনে নেমে এল ঘন কাল অন্ধকার। [ ডা. জন কথা গুলো বলার সময়, স্পষ্ট তার চোখে মুখে ভয়ের চাপ ফোঁটে উঠল।
-বইটা এখন কোথায় আছে?
ডা. জন- আমার রুমে হয়ত এখন বইটা পরে আছে।
-ঠিক আছে, আমি গবেষনাগার থেকে বইটা নিয়ে আসব।
ডা. জন- ঠিক আছে, কিন্তু সাবধান। সেখানে কিন্তু আবার মমি আসতে পারে।
-দেখা যাক কি হয়। তবে এখন আমি বের হলাম, আপনি বিশ্রাম নিন।
ডা. জনের কাছে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পরলাম গবেষনাগারের উদ্দেশ্যে। ডা. জনের কথা শুনে বেশ ভয়ানক মনে হল মমিটাকে। আল্লাহর রহমতে আমরা যদি গতকাল ঠিক সময়ে গবেষনাগারে না পৌছাতাম, তবে ডা. জন হয়ত আজ বেঁচে থাকতেন না। তবে মমিটা নিয়ে বেশ চিন্তা হচ্ছে, গতকাল ডা. জনকে আক্রমন করেছে। যে কোন সময় আমাকে আক্রমন করতে পারে।
-
ভিসিডি প্রেয়ারটা চালিয়ে গান শুনতে শুনতে ড্রাইভিং করে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। কোন একটা কারণে কিছুটা বাম দিকে আমার চোখ গেল। তাকিয়ে দেখি বেশ কিছু লোক জড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার পাশের একটা দোকানের সামনে। গাড়িটা থামিয়ে ভিড় টেলে এগিয়ে গিয়ে দেখি ১০-১২ বছরের একটি ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পরে আছে। দেখে মনে হচ্ছে ছেলেটাকে মমি আক্রমন করেছিল, সারা শরীরে ডা. জনের শরীরের মত ক্ষত দেখা যাচ্ছে। একজন ভদ্রলোক জানান, পাশের বাসা থেকে চিৎকারের আওয়াজ শুনে উনারা বাসায় প্রবেশ করেন। বাসায় প্রবেশ করে উনারা দেখতে পান ছেলেটির বুকে বসে একটি লোক ছেলেটিকে ধাড়ালো কিছু একটা দিয়ে আচড়াচ্ছিল। যখন উনারা বাসায় প্রবেশ করেন তখন হঠাৎ করে লোকটি অদৃশ্য হয়ে যায়। তাছাড়া উনারা বাসায় প্রবেশ করার পর প্রচুর গরম অনুভব করেন। সব কিছু শুনে আমি বেশ বুঝতে পারলাম ছেলেটার মৃত্যুর কারণ, ভয়ঙ্কর মমিটা। যে ভাবে হোক মমিটাকে খুব দ্রুত থামাতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে এই শহরের মানুষের জীবন যাত্রা অসহ্য হয়ে উঠবে।
-
বেশ কিছুক্ষণ পর ডা. জনের গবেষনাগারে পৌছালাম। গতকালের মত আজকেও গবেষনাগারে প্রচুর গরম অনুভব করছি। তাহলে কি মমিটা গবেষনাগারের আশে পাশে কোথাও রয়েছে? সাবধাণে আমাকে গবেষনাগারের ভিতরে প্রবেশ করতে হবে। একপা দুইপা করে যত এগিয়ে যাচ্ছি ভয়টা তত বেরে যাচ্ছে। অবশেষে কোন বিপদ ছাড়াই ডা. জনের রুমে পৌছাতে সক্ষম হলাম। এবার বইটা খুঁজে বের করার পালা। ডা. জন বলেছিলেন বইটা উনার রুমে রয়েছে। ডা. জনের রুমে বইটা খুঁজে না পেয়ে প্রত্যেকটা রুম তন্য তন্য করে খুঁজে দেখলাম, কিন্তু কোথাও বইটা খুঁজে পেলাম না। মনে হচ্ছে বইটাকে গতকাল মমি নিয়ে গেছে। জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে দেখি ডা. জনের বাগানের ফুল গুলো খুব সুন্দর ভাবে ফোটে আছে। ফুল আমার খুব ভাল লাগে, ফুল গুলা আর কাছে থেকে দেখার জন্য জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। মনে হচ্ছে ফুল গাছের নিচের দিকে বইয়ের মত কিছু একটা পরে আছে। দ্রুত বাহিরে গেলাম কি পরে আছে দেখার জন্য। আরে এটাতো সেই বই যেটা এতক্ষণ ধরে খুঁজে আমি হয়রান হচ্ছিলাম। উফ অবশেষে বইটা খুঁজে পেলাম। আল্লাহ্ তোমার কাছে হাজার হাজার শুকরিয়া।
-
গবেষনাগারে আর এক মূহুর্ত দেড়ি না করে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। মিস. মীরাকে সাথে নিয়ে বইটা খুলব এবং সব কিছু জানার চেষ্টা করব। গতকাল ৪র্থ পৃষ্টা খুলার সাথে সাথে ডা. জনের গবেষনাগারে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে শুরু করে। কি এমন রয়েছে বইটির ৪র্থ পৃষ্টাতে আমাকে জানতে হবে।
-
( পর্বটা কেমন হল নিশ্চয়ই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। গল্পটা আগামী পর্বে শেষ করে দেওয়া হবে। )
